সোমবার, ৩ জুলাই, ২০২৩

মহাকাশ ও উপগ্রহ অধ্যায়ের ক্লাস লেকচার

 অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের দ্বাদশ অধ্যায় মহাকাশ ও উপগ্রহ এর গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা সমূহ নিম্নে প্রদান করা হলো। আশাকরি শিক্ষার্থীরা বাসায় নোট করে এ সংজ্ঞা গুলো আত্মস্থ করবে।



গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা সমূহ:

মহাবিশ্ব: ভৌত জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু মিলে যে জগত তাকে মহাবিশ্ব বলে।

নভোমণ্ডলিয় বস্তু: মহাবিশ্ব যে সকল বস্তুপিণ্ড দিয়ে গঠিত তাকে নভোমণ্ডলিয় বস্ত বলে।

মহাকাশ: নভোমণ্ডলিয় বস্তু সমূহ যে সিমাহীন ফাঁকা জায়াগায় অবস্থিত থাকে তাকে মহাকাশ বলে। অর্থাৎ মহাকাশ বলতে পদার্থের অনুপস্থিতিকে বোঝায়।

নক্ষত্র: যেসকল নভোমণ্ডলিয় বস্তুর নিজস্ব আলো ও উত্তাপ রয়েছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। সূর্য এমন একটি নক্ষত্র।

গ্রহ: যেসকল নভোমণ্ডলিয় বস্তুর নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই এবং যারা কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে একটি সুনির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে তাদেরকে গ্রহ বলে। পৃথিবী একটি গ্রহ।

উপগ্রহ: যেসকল নভোমণ্ডলিয় বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে তাদেরকে উপগ্রহ বলে।

গ্যালাক্সি: কয়েক হাজার কোটি গ্রহ, নক্ষত্রের একটি বৃহৎ সমাবেশ যা মহাকাশে গুচ্ছ আকারে অবস্থান করে তাকে গ্যালাক্সি বলে। সূর্য যে গ্যালাক্সির অন্তর্গত তার নাম মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ।

আলোকবর্ষ: আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে। মনে রাখতে হবে আলোকবর্ষ দূরত্ব পরিমাপের একক, সময় পরিমাপের নয়।

মহাবিস্ফোরণ তত্ব: মহাবস্ফিোরণ তত্ত্ব মহাবশ্বিরে উৎপত্তি সর্ম্পকে প্রদত্ত একটি বজ্ঞৈানকি তত্ত্ব। এই তত্ত্বরে অন্যতম বশৈষ্ট্যি হলো কোন ধারাবাহকি প্রক্রযি়ার পরর্বিতে একটি বিশেষ মুর্হূতে মহাবশ্বিরে উদ্ভব। এই তত্ত্ব বলে আজ থকেে প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর র্পূবে এই মহাবশ্বি একটি অতি ঘন এবং উত্তপ্ত অবস্থা থকেে সৃষ্টি হয়েছিল। বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলনে, দূরর্বতী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রকিভাবে র্পযালোচনা করলে দখো যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে র্অথাৎ মহাবশ্বি ক্রমশ সম্প্রসারতি হচ্ছ। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবশ্বি একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করছে। এই অবস্থায় সকল পর্দাথ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। এর পর এক বিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রথমে শক্তি ও পরে পর্দাথ উৎপন্ন হযে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং মহার্কষ বলের প্রভাবে র্পযায়ক্রমে ঘনীভূত হয়ে নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহের সমন্বয়ে এই মহাবশ্বি গঠিত হয়।

কৃত্রিম উপগ্রহ: মানুষ নির্মিত যে সকল যন্ত্র বা মহাকাশ যান পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে তাকে কৃত্রিম উপগ্রহ বলে।

ভূস্থির উপগ্রহ: যদি কোনো উপগ্রহের আবর্তনকাল পৃথিবীর আহ্নিক গতির সমান হয় তবে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। তখন এ ধরণের উপগ্রকে ভূস্থির উপগ্রহ বলে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদ বিজ্ঞান) : সপ্তম অধ্যায় (নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ) এর নোট : পর্ব-০১ (সৃজনশীল)

প্রশ্ন-নিচের উদ্দীপক দেখে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। (i) উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র A ও B এর মধ্যকার পার্থক্য বর্ণনা কর। ...